সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
ফরিদপুর প্রতিনিধি: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, পল্লী কবি জসীমউদ্দীন তাঁর লেখনির মাধ্যমে বাংলাকে তুলে ধরেছেন। বিশ্ব দরবারে তিনি গ্রাম বাংলার ঐহিত্য পৌঁছে দিয়েছেন। তাঁর চিন্তা -চেতনায় বাংলা আর বাঙালি প্রাধান্য পেয়েছে। পল্লীকবি তার লেখায় চিরায়ত বাংলার মানুষের দুঃখ-বেদনা, হাসি- কান্না আর সংগ্রামের যে চিত্র তুলে ধরেছেন তা অভুতপূর্ব।আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় ফরিদপুরের গোবিন্দপুর গ্রামে অবস্থিত পল্লী কবি জসীমউদ্দীন এর বাড়িতে পল্লী কবি জসীমউদ্দীন স্মৃতি সংঘের আয়োজনে সেলাই প্রশিক্ষণ কোর্সের সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলার এক নিভৃত কোণে তিনি চিরশায়িত থাকলেও পল্লীকবি বাংলা ভাষার চির অমর কবি।পল্লী কবি জসীমউদ্দীন স্মৃতি সংঘের সভাপতি কবি পুত্র ডা. জামাল আনোয়ারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি আরো বলেন, ছোট বেলা থেকেই পল্লী কবির কবিতা ও গল্প পড়ে বড় হয়েছি। অনেক বার চেষ্টা করেছি ফরিদপুরে আসব, বিশ্বের একমাত্র পল্লী কবির বাড়িতে ঘুরে বেড়াব। তাই আমার বন্ধু কবি পুত্র জামাল আনোয়ারের কথা এবার আর আমি ফেলতে পারিনি। তাই ছুটে এসেছি কবির স্মৃতি মাখা বাতাসের ঘ্রাণ নিতে।তিনি বলেন, কবির বাড়িতে তার রেখে যাওয়া অনেক স্মৃতি রয়েছে। এখানে একটি সংগ্রহশালাও করা হয়েছে। ফরিদপুরের কবির বাড়ি হতে পারে এ এলাকার একটি বড় পর্যটন এলাকা।পল্লী কবি জসীমউদ্দীন স্মৃতি সংঘ সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান তুহিনের সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. এরাদুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল পাশা, জেলা সামজসেবা উপপরিচালক এ এস এম আলী আহসান, আনছার উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আবু জাফর শেখ প্রমুখ।পরে মন্ত্রী সেলাই প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ৪০ জন নারীকে সনদপত্র প্রদান করেন। শেষ পর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিশু শিল্পীরা অংশ নেয়।